Skip to content
Zero Travel

ময়মনসিংহ বিভাগ

জামালপুর

ব্রহ্মপুত্র নদের তীরঘেঁষা জামালপুর নদী, চর, সবুজ প্রকৃতি ও লোকসংস্কৃতিতে সমৃদ্ধ একটি জেলা। ঐতিহাসিক স্থাপনা, গ্রামীণ জীবন আর নদীপাড়ের সৌন্দর্য এখানে ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ।

ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে আসলে ১৮০ কিঃমি এবং টাঙ্গাইল হয়ে আসলে ১৭২ কিঃমিঃ আর ট্রেনে ১৭৭ কিঃমিট্রেনে ৪-৫ ঘন্টা আর বাসে ৫-৬ ঘন্টানভেম্বর–ফেব্রুয়ারি; শীতের শুষ্ক ও তুলনামূলক ঠান্ডা আবহাওয়ায় ঘোরার জন্য উপযোগী। তবে বৈচিত্রময় নদীর চর দেখতে চাইলে বর্ষাকালে আসতে হবে।6টি দর্শনীয় পোস্ট
জামালপুর

বিখ্যাত খাবার

মিল্লিভাত বা পিঠালী বা ম্যান্দা

মিল্লিভাত বা পিঠালী বা ম্যান্দা

এই এলাকার সবচেয়ে সুস্বাদু আর জনপ্রিয় খাবারের নামই মিল্লি। মিল্লি তৈরিতে উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় গরু, খাসি অথবা মহিষের মাংস, চালের গুঁড়া, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, জিরাসহ নানা প্রকার মসলা।

ছানার পোলাও

ছানার পোলাও

জামালপুরের চর এলাকায় সবুজ ঘাস খেয়ে গরু যে খাটি দুধ দেয় তা থেকে তৈরি হয় চমৎকার ছানা। আর সেই ছানা থেকে তৈরি এখানকার ছানার পোলাও।

প্যারার সন্দেশ

প্যারার সন্দেশ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় গেছেন আর প্যাড়ার স্বাদ নেননি, এমন কাউকে কি খুঁজে পাওয়া যাবে? বোধ হয় না। প্যাড়া সন্দেশ এ অঞ্চলের গর্ব। যাঁরা এর ভক্ত, তাঁরা রীতিমতো ফরমাশ দিয়ে আনিয়ে নেন এ মিষ্টি।

স্থানীয় পণ্য

নকশী কাঁথা

নকশী কাঁথা

জামালপুর জেলার মেয়েরা সুই-সুতার কাজ ভালো করে। তাই জামালপুরের নকশিকাঁথা অনন্য। অন্য যেকোনো জেলার চেয়ে জামালপুরের নকশিকাঁথা নান্দনিক।

কাসার বাসন

কাসার বাসন

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় কাসার (পিতল ও কাঁসা) শিল্পের ইতিহাস বহু প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী। এই শিল্প শুধু একটি পেশা নয়, এটি এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নামকরণ ও ইতিহাস

জামালপুর জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বনাম ছিল সিংহজানি। ইসলাম ধর্মপ্রচারক শাহজামাল ইয়ামানির নামানুসারে জামালপুর জেলার নামকরণ করা হয়।

ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, দিল্লির সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে (১৫৫৬-১৬০৫) হযরত শাহ জামাল নামে একজন ধর্মপ্রচারক ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ২০০ জন অনুসারী নিয়ে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় নেতা হিসাবে তিনি দ্রুত প্রাধান্য বিস্তার লাভ করেন। ধারণা করা হয়, শাহ জামাল-এর নামানুসারে এই শহরের নামকরণ হয় জামালপুর। ময়মনসিংহ জেলার অধীনে ১৮৪৫ সালে জামালপুর মহকুমা গঠিত হয়। ভয়াবহ বন্যায় যমুনা নদীর সৃষ্টির পরে জামালপুর মহকুমার সিরাজগঞ্জ থানাকে পাবনা জেলার সাথে জুড়ে দেওয়া হয় ১৮৫৫ সালে। দেওয়ানগন্জ থানা রংপুর জেলা হতে ১৮৬৬ সালে জামালপুর মহকুমায় যুক্ত করা হয়। এরপর ১৮৭৯ সালে টাংগাইল মহকুমা গঠিত হলে মধুপুরসহ বেশ কিছু এলাকা জামালপুর মহকুমা হতে টাংগাইল মহকুমার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৭৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ থেকে পৃথক করে জামালপুরকে বাংলাদেশের ২০ তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৪ সালে জামালপুর জেলা ভেঙ্গে শেরপুর জেলা গঠন করা হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে জামালপুর যাওয়া যায়। ট্রেনে গেলে জামালপুর টাউন স্টেশনে নামতে হবে যেটা গেইটপাড় নামক জায়গার কাছে অবস্থিত। স্টেশনে নেমে গেইটপাড় আসলে যেকোন জায়গায় যাওয়া যাবে।
আর বাসে গেলে ঢাকা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে অনেক পরিবহন জামালপুর পর্যন্ত যাতায়াত করে থাকে। কিছু শেরপুরগামী বাসও জামালপুর হয়ে যাতায়াত করে। আর বাস সাধারণত জামালপুর বাসস্ট্যান্ডেই নামিয়ে দিবে, তবে গভীর রাতের বাস শহরের গেইটপাড় পর্যন্ত এগিয়ে নামিয়ে দেয়। বাসে যাওয়ার আগে কাউন্টার থেকে জামালপুর শহরে নামার স্থান জেনে নিন। শহর থেকে নির্দিষ্ট দর্শনীয় স্থানে যেতে স্থানীয় যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন।

আনুমানিক খরচ

ট্রেনে যাতায়াত করলে খরচ সবচেয়ে কম। কমিউটার ট্রেনে মাত্র ৮০ টাকায় ঢাকা টু জামালপুর যেতে পারবেন। পাঁচটি আন্তঃনগর ট্রেনে শোভন ১৭৫ টাকা, শোভন চেয়ার ২১০ টাকা, প্রথম শ্রেণি চেয়ার ও সিট ৩২২ টাকা, স্নিগ্ধা এসি ৪০৩ টাকা ভাড়া পড়বে।

আর বাসে নন এসি ৪৫০-৫০০ টাকা, এসি ৫৫০-৬৫০ টাকা ভাড়া পড়বে।

থাকার জায়গা

শহরের স্টেশনের কাছে কিছু কমদামি হোটেল আছে। এছাড়াও গেইটপাড় এলাকায়, শহরের তমালতলা মোড়ের আশে পাশে বেশকিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। শহর থেকে দুই কিলোমিটার দূরে বেলটিয়া এলাকায় লুইস ভিলেজ নামক একটি রিসোর্ট রয়েছে, সেখানেও থাকা যাবে।

খাওয়ার জায়গা

নামকরা বেশকিছু হোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে। যেমন- হোটেল তুষার গেইটপাড় এলাকায়, রংধনু ও হোটেল তাজ রয়েছে তমালতলা মোড়ে। এগুলি ছাড়াও শহরজুড়েই ছোট বড় মাঝারি মানের বেশকিছু রেস্টুরেন্ট রয়েছে।

ম্যাপে অবস্থান

Maps-এ খুলুন ↗

তথ্য যাচাই: 2026-10-20। খরচ ও সময় বদলাতে পারে; যাওয়ার আগে জেনে নিন।

দর্শনীয় স্থান

লাউচাপড়া পিকনিক স্পট

লাউচাপড়া

লাউচাপড়া অবসর বিনোদন কেন্দ্র: গারো পাহাড়, ওয়াচ টাওয়ার ও ভ্রমণ গাইড গারো পাহাড়ের কোলে বেড়ে ওঠা ঘন সবুজের সমারোহে হঠাৎ […]

যাবেন কীভাবে: লাউচাপড়া অবকাশ কেন্দ্র জামালপুর জেলার অধীনে হলেও যাওয়ার সহজপথ হলো শেরপুর হয়ে। ঢাকা থেকে সরাসরি শেরপুরে যায় বিভিন্ন পরিবহনের বাস। মহাখালি থেকে বাসে উঠে সরাসরি…

বিস্তারিত দেখুন →
লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্ক জামালপুর

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্ক

লুইস ভিলেজ রিসোর্ট অ্যান্ড পার্ক: জামালপুরে পরিবারসহ ঘোরার জায়গা শহরের কাছাকাছি পরিবার নিয়ে কয়েক ঘণ্টা আনন্দে কাটাতে চাইলে জামালপুর সদরের […]

যাবেন কীভাবে: পার্কটি জামালপুর সদর উপজেলার বেলটিয়ায়, শহর থেকে আনুমানিক ২ কিলোমিটার দূরে। শহর থেকে রিকশা, ইজিবাইক বা অটোরিকশায় সাধারণত ১০ থেকে ১৫ মিনিটে পৌঁছানো যায়। ঢাকা…

বিস্তারিত দেখুন →
দয়াময়ী মন্দির জামালপুর

দয়াময়ী মন্দির

দয়াময়ী মন্দির জামালপুর: ইতিহাস, স্থাপত্য ও যাওয়ার উপায় জামালপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্টে অবস্থিত শ্রীশ্রী দয়াময়ী মন্দির জেলার প্রাচীন ও […]

যাবেন কীভাবে: দয়াময়ী মন্দির জামালপুর শহরের জিরো পয়েন্ট বা দয়াময়ী মোড়ে অবস্থিত। জামালপুর রেলস্টেশন থেকে রিকশা বা ইজিবাইকে অল্প সময়েই পৌঁছানো যায়। শহরের কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় স্থানীয় যেকোনো…

বিস্তারিত দেখুন →
পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের তীরে হযরত শাহ জামালের মাজারের ইতিহাস, জামালপুর নামের উৎপত্তি, দর্শনীয় বিষয় ও যাতায়াতের তথ্য জানুন।

হযরত শাহ জামালের মাজার

শাহ জামালের মাজার: জামালপুরের নামকরণ, ইতিহাস ও যাওয়ার উপায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে জামালপুর শহরের অন্যতম আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক স্থান […]

যাবেন কীভাবে: মাজারটি জামালপুর শহরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থিত। জামালপুর রেলস্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশা, ইজিবাইক বা অটোরিকশায়…

বিস্তারিত দেখুন →

মালঞ্চ মসজিদ

সবুজ গাছপালা, প্রশস্ত দীঘি এবং নান্দনিক এক গম্বুজের স্থাপত্য—জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ মসজিদ ধর্মীয় আবহ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক প্রশান্ত […]

যাবেন কীভাবে: জামালপুর শহর থেকে মালঞ্চ বাজারের দিকে বাস, সিএনজি বা অটোরিকশায় যাওয়া যায়। সরকারি উপজেলা তথ্য অনুযায়ী জামালপুর থেকে স্থানটি প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে; অন্যান্য ভ্রমণসূত্রে…

বিস্তারিত দেখুন →
জামালপুর শহর থেকে সড়কপথে মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাশহাটিয়া গ্রামে যেতে হবে। শহর থেকে সিএনজি, অটোরিকশা বা রিজার্ভ যানবাহন নেওয়া যায়। জায়গাটি জামালপুর শহর থেকে আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার দূরে। রাস্তার শেষ অংশ তুলনামূলক সরু হতে পারে, তাই বড় বাসের বদলে ছোট যানবাহন সুবিধাজনক। ঢাকা থেকে জামালপুরে ট্রেন বা বাসে এসে স্থানীয় যানবাহনে আশ্রমে যাওয়া যায়। ভ্রমণ পরামর্শ জাদুঘরের খোলার সময় আগেই স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন। প্রদর্শনীর কোনো বস্তু স্পর্শ করবেন না এবং অনুমতি ছাড়া ফ্ল্যাশ ব্যবহার করবেন না। শান্ত পরিবেশ বজায় রাখুন; প্রাঙ্গণে ময়লা ফেলবেন না।

গান্ধী আশ্রম

গান্ধী আশ্রম জামালপুর: ইতিহাস, মুক্তিসংগ্রাম জাদুঘর ও যাওয়ার উপায় জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার নিভৃত কাপাশহাটিয়া গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিবাহী […]

যাবেন কীভাবে: জামালপুর শহর থেকে সড়কপথে মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের কাপাশহাটিয়া গ্রামে যেতে হবে। শহর থেকে সিএনজি, অটোরিকশা বা রিজার্ভ যানবাহন নেওয়া যায়। জায়গাটি জামালপুর শহর থেকে…

বিস্তারিত দেখুন →

আরও দেখুন