Skip to content
Zero Travel

খাগড়াছড়ির ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’, পাহাড়ের কোলে সবুজের অন্যরকম মায়া

খাগড়াছড়ি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে উঁচু-নিচু পাহাড়, আঁকাবাঁকা সড়ক আর ঘন সবুজ বন।

নাম শুনে প্রথমেই মনে হতে পারে, এটি বুঝি দূরদেশ নিউজিল্যান্ডের কোনো গ্রামের গল্প। কিন্তু এই নিউজিল্যান্ডে যেতে পাসপোর্ট কিংবা বিমানের টিকিট—কোনোটিই প্রয়োজন নেই। খাগড়াছড়ি শহর থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে গেলেই দেখা মিলবে পাহাড়ের কোলে সবুজে মোড়া এই জনপদের।

খাগড়াছড়ির পানখাইয়া পাড়ার লাগোয়া এবং পেরাছড়ার কিছু অংশজুড়ে বিস্তৃত এলাকাটি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’ নামে। পানখাইয়া পাড়া থেকে পেরাছড়ার দিকে চলে যাওয়া পথটির নামও হয়ে গেছে ‘নিউজিল্যান্ড সড়ক’। রাস্তার দুই পাশে সবুজ ধানক্ষেত, তার পেছনে ছোট-বড় পাহাড়ের সারি আর মাথার ওপর খোলা আকাশ—সব মিলিয়ে খাগড়াছড়ির পরিচিত পাহাড়ি দৃশ্যের মাঝেও জায়গাটি একটু আলাদা।

পাহাড়ের মাঝখানে সবুজ সমতল

খাগড়াছড়ি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে উঁচু-নিচু পাহাড়, আঁকাবাঁকা সড়ক আর ঘন সবুজ বন। নিউজিল্যান্ড পাড়ায় এসে সেই দৃশ্যের সঙ্গে যোগ হয় বিস্তীর্ণ সমতল কৃষিজমি।

নিউজিল্যান্ড সড়ক ধরে এগিয়ে গেলে দুই পাশে দেখা যায় ধান ও অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। সমতল মাঠ শেষ হতেই মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে পাহাড়। কোথাও পাহাড়ের পাদদেশে ছোট ছোট বসতি, কোথাও গাছপালার আড়ালে হারিয়ে গেছে বাড়িঘর। দূর থেকে দেখলে মনে হয় সবুজ মাঠটিকে পাহাড়গুলো চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে।

বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে চারপাশের সবুজ আরও গাঢ় হয়ে ওঠে। আকাশে মেঘ থাকলে কখনও সেই মেঘ পাহাড়ের খুব কাছাকাছি নেমে আসে। আবার রোদ উঠলে সবুজ ক্ষেত আর পাহাড়ের গায়ে আলো-ছায়ার পরিবর্তনে একই জায়গা কিছুক্ষণ পরপর নতুন রূপ নেয়।

ধান পাকার সময় দৃশ্য বদলে যায় আরও একবার। সবুজ মাঠ ধীরে ধীরে সোনালি রঙ ধারণ করে। স্থানীয়দের বর্ণনায়, এ সময় আশপাশের ধানক্ষেতে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়া পাখির দেখাও মেলে।

খাগড়াছড়ি মানেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে উঁচু-নিচু পাহাড়, আঁকাবাঁকা সড়ক আর ঘন সবুজ বন।
পাহাড়ের মাঝখানে সবুজ সমতল

নিউজিল্যান্ড নামটি এলো যেভাবে

এই জায়গার নামের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। পানখাইয়া পাড়া ও পেরাছড়ার কিছু অংশের খোলা সবুজ প্রান্তর, পাহাড় এবং আঁকাবাঁকা পথের দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের কাছে জায়গাটি নিউজিল্যান্ডের প্রাকৃতিক দৃশ্যের মতো মনে হয়েছিল। সেই তুলনা থেকেই ধীরে ধীরে ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’ নামটি পরিচিত হয়ে ওঠে।

পানখাইয়া পাড়া থেকে পেরাছড়া গ্রামের দিকে যাওয়া সড়কটিও এখন নিউজিল্যান্ড সড়ক নামে পরিচিত। ফলে ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’ কোনো পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্রের নামের চেয়ে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা একটি নামই বেশি।

ভোর ও বিকেল—দুই সময়ের দুই রূপ

নিউজিল্যান্ড পাড়ার সৌন্দর্য উপভোগ করতে সকাল কিংবা বিকেল বেছে নেওয়া ভালো।

ভোরের দিকে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে পাহাড়ের ফাঁক দিয়ে আসা সকালের আলো, শিশিরভেজা ক্ষেত আর শান্ত জনপদ দেখতে ভালো লাগে। মানুষের চলাচলও তখন তুলনামূলক কম থাকে।

বিকেলে আবার সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড় ও ফসলের মাঠে নরম আলো পড়ে। পরিষ্কার দিনে সূর্যাস্তের আগের সময়টি ছবি তোলার জন্য বিশেষভাবে সুন্দর হতে পারে।

বর্ষার দিনে আকাশ ও পাহাড়ের দৃশ্য দ্রুত বদলায়। কখনও মেঘে ঢেকে যায় দূরের পাহাড়, কিছুক্ষণ পর আবার রোদ এসে আলোকিত করে মাঠ। তাই প্রকৃতি ও ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিতে আগ্রহীদের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়।

প্রকৃতির সঙ্গে দেখা মিলবে পাহাড়ি জনজীবনের

নিউজিল্যান্ড পাড়ার সৌন্দর্য কেবল মাঠ আর পাহাড়ে সীমাবদ্ধ নয়। এটি স্থানীয় মানুষের বসবাস ও কৃষিকাজের এলাকা। ফলে ঘুরতে গিয়ে কাছ থেকে দেখা যায় পাহাড়ের পাদদেশের জনজীবন।

কেউ মাঠে কাজ করছেন, কেউ ফসল নিয়ে বাড়ি ফিরছেন, কোথাও ছোট ছোট বসতি—পর্যটনকেন্দ্রের সাজানো পরিবেশের বদলে এখানে দেখা যায় স্বাভাবিক গ্রামীণ ও পাহাড়ি জীবনের দৃশ্য।

তবে মনে রাখা ভালো, এখানকার কৃষিজমি ও বসতিগুলো স্থানীয় মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও জীবিকার অংশ। ছবি তোলার সময় কারও বাড়ি বা ব্যক্তিগত জায়গায় প্রবেশ না করা এবং মানুষের ছবি তুলতে হলে অনুমতি নেওয়া ভ্রমণশিষ্টাচারের অংশ।

বর্ষার দিনে আকাশ ও পাহাড়ের দৃশ্য দ্রুত বদলায়। কখনও মেঘে ঢেকে যায় দূরের পাহাড়, কিছুক্ষণ পর আবার রোদ এসে আলোকিত করে মাঠ। তাই প্রকৃতি ও ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফিতে আগ্রহীদের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়।
ভোর ও বিকেল—দুই সময়ের দুই রূপ

নিউজিল্যান্ড পাড়া যাওয়ার উপযুক্ত সময়

বছরের বিভিন্ন সময়ে নিউজিল্যান্ড পাড়ার রূপ আলাদা।

বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে পাহাড় এবং মাঠ সবচেয়ে বেশি সবুজ থাকে। মেঘলা আকাশের সঙ্গে পাহাড়ের দৃশ্যও তখন সুন্দর। তবে বৃষ্টির কারণে রাস্তার অবস্থা ও চলাচলের সুবিধা আগে জেনে নেওয়া ভালো।

ধান পাকার সময়ে সবুজের বদলে সোনালি ক্ষেত দেখতে পাওয়া যায়। শীতকালে আকাশ তুলনামূলক পরিষ্কার থাকায় দূরের পাহাড় ভালোভাবে দেখা যেতে পারে এবং ঘোরাঘুরিও আরামদায়ক হয়।

তাই আপনি কেমন দৃশ্য দেখতে চান, তার ওপর ভ্রমণের সময় নির্বাচন করতে পারেন।

কীভাবে যাবেন নিউজিল্যান্ড পাড়া

ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি খাগড়াছড়ি যাওয়া যায়। বিভিন্ন পরিবহনের বাস ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি রুটে চলাচল করে। চট্টগ্রাম থেকেও বাসে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়।

খাগড়াছড়ি শহরে পৌঁছানোর পর যাত্রা খুবই সহজ। শহরের পরিচিত শাপলা চত্বর থেকে নিউজিল্যান্ড পাড়ার দূরত্ব প্রায় দেড় কিলোমিটার। সিএনজি বা অটোরিকশায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই পানখাইয়া পাড়া ও নিউজিল্যান্ড সড়ক এলাকায় পৌঁছানো যায়।

স্থানীয় চালককে ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’ বা ‘নিউজিল্যান্ড সড়ক’ বললেই সাধারণত জায়গাটি চিনতে পারবেন।

ভাড়া সময় ও যানবাহনভেদে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই ওঠার আগে ভাড়া ঠিক করে নেওয়াই ভালো।

যোগাযোগঃ

সেন্টমার্টিন পরিবহন (Saint Martin Paribahan) – আরামবাগঃ ০১৭৬২৬৯১৩৪১ , ০১৭৬২৬৯১৩৪০ । খাগড়াছড়িঃ ০১৭৬২৬৯১৩৫৮ ।

শ্যামলী পরিবহন – আরামবাগঃ ০২-৭১৯৪২৯১ । কল্যাণপুরঃ ৯০০৩৩৩১ , ৮০৩৪২৭৫ । আসাদগেটঃ ৮১২৪৮৮১ , ৯১২৪৫৪ । দামপাড়া (চট্টগ্রাম) ০১৭১১৩৭১৪০৫ , ০১৭১১৩৭৭২৪৯ ।

শান্তি পরিবহন- আরামবাগ ( ঢাকা ) – ০১১৯০৯৯৪০০৭ । অক্সিজেন(চট্টগ্রাম) ০১৮১৭৭১৫৫৫২ ।

চট্টগ্রাম থেকেও খাগড়াছড়ি যেতে পারবেন । BRTC এসি বাস (চট্টগ্রাম) কদমতলীঃ ০১৬৮২৩৮৫১২৫ । খাগড়াছড়িঃ ০১৫৫৭৪০২৫০৭ ।

খাগড়াছড়ি শহর থেকে সিএনজি বা অটোতে করে নিউজিল্যান্ড পাড়া যেতে পারবেন, ভাড়া পরবে ১০ টাকার মত। তাই আপনি সাজেক ভ্রমণের প্ল্যান করলে অল্প সময়েই নিউজিল্যান্ড পাড়াটা ঘুরে আসতে পারেন। এছাড়া হাজাছড়া ঝর্ণাও দেখে নিতে পারেন।

কোথায় থাকবেন

নিউজিল্যান্ড পাড়ায় থাকার প্রয়োজন সাধারণত হয় না, কারণ জায়গাটি খাগড়াছড়ি শহরের খুব কাছেই। শহরে ফিরে সহজেই থাকা যায়।

খাগড়াছড়ি শহরে পর্যটন মোটেলসহ বিভিন্ন মান ও বাজেটের হোটেল রয়েছে। শাপলা চত্বর ও শহরের আশপাশে থাকার ব্যবস্থা পাওয়া যায়। সাজেকসহ খাগড়াছড়ির অন্যান্য জায়গা ঘুরতে চাইলে শহরকে কেন্দ্র করেও ভ্রমণ পরিকল্পনা করা সুবিধাজনক।

পর্যটনের ব্যস্ত মৌসুম ও সরকারি ছুটির সময় আগে থেকে কক্ষ বুক করে রাখা ভালো।

খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল সহ বিভিন্ন মানের থাকার হোটেল (Hotel) আছে ।

পর্যটন মোটেলঃ এটি শহরে ঢুকতেই চেঙ্গী নদী পার হলেই পরবে । মোটেলের সব কক্ষই ২ বিছানার । ভাড়াঃ এসি ২১০০ টাকা, নন এসি ১৩০০ টাকা । এসি স্যুইট রুম ৩,১০০ টাকা। মোটেলের অভ্যন্তরে মাটিতে বাংলাদেশের মানচিত্র বানানো আছে । তবে পুরো খাগড়াছড়ি জেলায় বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে ভোল্টেজ ওঠানামা করায় এসি রুমগুলো নন-এসি হিসেবে ভাড়া দেয়া হচ্ছে। যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২০৮৪৮৫ ।

হোটেল ইকো ছড়ি ইনঃ খাগড়াপুর ক্যান্টর্মেন্ট এর পাশে পাহাড়ী পরিবেশে অবস্থিত । এটি রিসোর্ট টাইপের হোটেল । যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬২৫ , ৩৭৪৩২২৫ ।

হোটেল শৈল সুবর্নঃ ০৩৭১-৬১৪৩৬ , ০১১৯০৭৭৬৮১২ ।
হোটেল জেরিনঃ ০৩৭১-৬১০৭১ ।
হোটেল লবিয়তঃ ০৩৭১-৬১২২০ , ০১৫৫৬৫৭৫৭৪৬ , ০১১৯৯২৪৪৭৩০ ।
হোটেল শিল্পীঃ ০৩৭১-৬১৭৯৫ ।

কোথায় খাবেন

খাগড়াছড়ি শহরের শাপলা চত্বর, বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশে বিভিন্ন ধরনের রেস্তোরাঁ রয়েছে। সাধারণ বাঙালি খাবারের পাশাপাশি খাগড়াছড়িতে গেলে সুযোগ থাকলে স্থানীয় পাহাড়ি খাবারও স্বাদ নিতে পারেন।

খাগড়াছড়ি শহরের কাছেই পানখাই পাড়ায় ঐতিহ্যবাহী সিস্টেম রেস্তোরার (System Restaurant) অবস্থান। এখানে খাগড়াছড়ির ঐতিহ্যবাহী খাবার খেতে পারবেন।  যোগাযোগঃ ০৩৭১-৬২৬৩৪ , ০১৫৫৬৭৭৩৪৯৩ , ০১৭৩২৯০৬৩২২ ।

বাঁশকোড়লসহ বিভিন্ন পাহাড়ি উপকরণ দিয়ে তৈরি খাবার এই অঞ্চলের খাদ্যসংস্কৃতির অংশ। তবে সব রেস্তোরাঁয় সব ধরনের স্থানীয় খাবার প্রতিদিন পাওয়া যায় না। নির্দিষ্ট কোনো খাবার খেতে চাইলে আগে খোঁজ নেওয়া ভালো।

সঙ্গে আর কোথায় ঘুরবেন

শুধু নিউজিল্যান্ড পাড়া দেখার জন্য আলাদা করে পুরো দিনের পরিকল্পনা করার প্রয়োজন নেই। খাগড়াছড়ি শহরের কাছাকাছি হওয়ায় জেলার অন্য দর্শনীয় স্থানের সঙ্গে এটি সহজেই ভ্রমণসূচিতে রাখা যায়।

সময় ও যাতায়াতের পরিকল্পনা অনুযায়ী আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, রিছাং ঝরনা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক কিংবা খাগড়াছড়ির অন্য দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন। সাজেক যাওয়ার আগে বা সেখান থেকে ফিরে খাগড়াছড়ি শহরে সময় থাকলেও নিউজিল্যান্ড পাড়া দেখে নেওয়া সম্ভব।

ভ্রমণে কিছু বিষয় মনে রাখুন

নিউজিল্যান্ড পাড়া কোনো কৃত্রিমভাবে সাজানো পর্যটনকেন্দ্র নয়। এর মূল আকর্ষণই হলো কৃষিজমি, পাহাড় এবং স্থানীয় জনপদের স্বাভাবিক পরিবেশ। তাই ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয় এমনভাবে জমিতে প্রবেশ করা, প্লাস্টিক বা খাবারের প্যাকেট ফেলে যাওয়া কিংবা স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিরক্তি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

পাহাড়ি এলাকার আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। বর্ষাকালে গেলে ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখা ভালো। আর ছবি তুলতে চাইলে সকাল অথবা বিকেলের নরম আলো বেছে নিলে নিউজিল্যান্ড পাড়ার ল্যান্ডস্কেপ আরও সুন্দরভাবে ধরা পড়ে।

শেষ কথা

খাগড়াছড়িতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে পাহাড়ের বিশালতা আপনাকে মুগ্ধ করবে। নিউজিল্যান্ড পাড়ার সৌন্দর্য একটু অন্যরকম। এখানে পাহাড়কে দেখা যায় বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ওপার থেকে—মাঝখানে আঁকাবাঁকা পথ, পাশে জনপদ আর ওপরে বিশাল আকাশ।

খাগড়াছড়ি শহর থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে হওয়ায় খুব বেশি প্রস্তুতিও প্রয়োজন হয় না। বিকেলের কয়েকটি ঘণ্টা হাতে থাকলেও ঘুরে দেখা সম্ভব।

সবুজ ধানক্ষেতের মাঝখানের পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে সামনে যখন একের পর এক পাহাড় দেখা যায়, তখন ‘নিউজিল্যান্ড পাড়া’ নামটি কেন এত মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে—তার উত্তর হয়তো দৃশ্যটাই দিয়ে দেবে।

পোস্ট সর্বশেষ হালনাগাদ: 6 October 2026

আপনার তোলা ছবি জমা দিন

তথ্য সহযোগী

স্থানীয় বা আগে ঘুরে আসা মানুষের কাছ থেকে তথ্য জেনে নিন। এটি গাইড বুকিং বা অর্থের বিনিময়ে সেবা নয়।

তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে চাই

প্রশ্ন–উত্তর

একটি প্রশ্ন করুন

তথ্য বদলেছে? জানান

রিভিউ

এখনও কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

কত স্টার দেবেন?

ছবি ঐচ্ছিক। রিভিউয়ের ছবি সরাসরি প্রকাশ হবে; এতে পয়েন্ট নেই। লগইন ছাড়া দেওয়া রিভিউ পরে সম্পাদনা করা যাবে না।

Share:FacebookWhatsApp

আরও দেখুন